# Tags

আগামী দিন কথা সাহিত্যিক শফীউদ্দীন সরদারকে রাষ্ট্রীয় ভাবে সম্মাননা দেয়া হবে -নাটোরে দুলু

মোঃ রাশেদুল ইসলাম,নাটার প্রতিনিধি-বিএনপির কেদ্রীয় নেতা সাবেক মন্ত্রী এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলছেন, কথা সাহিত্যিক শফীউদ্দীন সরদার সাহিত্য ও ইতিহাসর মধ্য সেতুবন্ধ তৈরি করছিলেন।

শফীউদ্দীন সরদার বাংলার মুসলমানদর উৎস অনুসন্ধান করে গৌরবাজ্জ্বল অতীতক তাঁর ১৬টি উপন্যাস তুলে ধরছেন। তার লেখা প্রায় ৫৪টি গ্রন্থ ২৭টিই ইতিহাস ভিত্তিক উপন্যাস, যা দেশের আর কোন লেখক দেখা যায় না। এদেশের মানুষের হৃদয় থেকে কখনা তাকে মুছে ফেলা যাবে না। ফ্যাসিষ্ট সরকার তাকে রাষ্ট্রীয় কোন সম্মাননা না দিলেও আগামী দিন বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তাকে যথাযথ ভাব রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেয়া হবে।

জাতির শিকড়সন্ধানী সাহিত্যিক শফীউদ্দীন সরদারর ৯০তম জন্মদিন উপলক্ষে বহস্পতিবার নাটোর শহরের একটি চাইনিজ রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে শফীউদ্দীন সরদার ফাউন্ডশন আয়াজিত সেমিনারে দুলু এসব কথা বলেন।

নাটোরের সিনিয়র আইনজীবী আবদুল ওহাবের সভাপতিত্বে ও যুগান্তরের নাটোর প্রতিনিধি শহীদুল হক সরকারের সঞ্চালনায় সেমিনারে আলাচনায় অংশ নেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মকসুদুর রহমান, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগর অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন, ফোকলার বিভাগর সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ড. আমিরুল ইসলাম কনক, পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) ও কবি নাফিউল ইসলাম, নাটোর জলা জামায়াতর আমীর অধ্যাপক ড. মীর নুরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, চট্রগ্রামর সীতাকুন্ডু সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রধান শামীমা নার্গিস, নাটোর নবাব সিরাজ-উদ-দলা সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম শ্যামল, বাংলাদশ বেতারের নাট্যকার অধ্যাপক মোস্তফা মোহাম্মদ আবদুর রব, নাটোর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি রুহুল আমীন তালুকদার টগর, নাটোরের সহ-সভাপতি খগেদ্রনাথ, অধ্যক্ষ আল আসাদ বিন সাঈদ, প্রধান শিক্ষক কফর উদ্দিন বুলবুল, কথা সাহিত্যিক শফীউদ্দীন সরদার বড় সন্তান অধ্যাপক শামসুনাহার ও অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় অধ্যাপক মকসুদুর রহমান বলন, শফীউদ্দীন সরদার বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী ছিলেন। শিক্ষকতার মধ্য দিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও তিনি প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রট হিসেবে কর্মজীবন শেষ করছেন। তার হাতে নাটোর ও রাজশাহীর খ্যাতনামা কয়কটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সব কিছুর ঊর্ধ্বে থেকে তিনি সারা জীবন একের পর এক গ্রন্থ রচনা করছেন।
আলাচনা সভায় অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন বলন, শফীউদ্দীন সরদার কর্মজীবন শেষে নাটোরের নিজ বাড়িতে রাতদিন অবিরাম লিখতেন। তিনি প্রচারবিমুখ মানুষ ছিলেন। ২০১৯ সালে ৮৪ বছর বয়সে মারা যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি অনকটাই নিজেকে লুকিয়ে রেখেছিলেন। এ কারণ তিনি যোগ্য হয়েও জাতীয় কোনা পুরস্কারে পুরস্কৃত হননি। সহযোগী অধ্যাপক ড. আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, দেশে তিনিই সবচেয়ে বেশি ঐতিহাসিক ঔপন্যাস লিখছেন। অসাধারণ প্রতিভাসমদ্ধ এই লেখক কে নিয়ে বহু গবেষণা সুযোগ রয়েছে।